1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. ashiqsmi2@gmail.com : Hossain Bin Aftab : Hossain Bin Aftab
  3. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Abm Kaium Raj
  4. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
  5. support@wordprees.org : support :
       
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
শ্যামনগরে উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে নূরনগরে রুকনদের নিয়ে জামায়াতে নির্বাচনীয় সভা অনুষ্ঠিত বিরলে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবাগত ইউএনওর সাথে অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ কালিগঞ্জে নলতায় স্ত্রীকে রশি পেঁচিয়ে হত্যার চেষ্টা স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ঈশ্বরদীতে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণায় রক্তক্ষয়ী হামলা “আটুলিয়া এক নম্বর ওয়ার্ড এ নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত” আশাশুনি-সাতক্ষীরা সড়কে দুর্ঘটনায় আহত-৬ ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন ইসলামী ব্যাংকসহ ব্যাংকিং সেক্টরে অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

শ্যামনগরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্যামনগর উপজেলা শাখার উদ্যোগে শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টায় এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মাইক্রোস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়। উপজেলা আমীর মাওলানা আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, জেলা জামায়াত নেতা অধ্যাপক আব্দুল জলিল, মাওলানা আব্দুল মজিদ, উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক ফজলুল হক, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম মোস্তফা, সহকারী সেক্রেটারি মাস্টার রেজাউল ইসলাম, অধ্যক্ষ সাইদি হাসান বুলবুল, মাওলানা আমিনুর রহমান, অধ্যাপক গাজী আব্দুল হামিদ, অধ্যাপক মহসিন আলমসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারাও এতে যোগ দেন।

বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের পর প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়ে এবং সংবিধানগত শূন্যতা তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সংস্কার কর্মসূচি ও বিভিন্ন কমিশনের সুপারিশের মধ্যে থেকে ৮৪টি প্রস্তাব গৃহীত হলেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে মতভেদ রয়ে গেছে। বক্তারা দাবি জানান, জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে জনগণের অভিপ্রায়কে প্রতিফলিত করে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।

সমাবেশে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো— (১) জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠা ও সংশোধনী গ্রহণ, (২) ওই সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন, (৩) ভোটকেন্দ্র দখল, কালো টাকার ব্যবহার, ভোটে অপতৎপরতা ও পেশিশক্তি প্রদর্শন বন্ধ করা, (৪) পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতি চালু করে দক্ষ সংসদ ও যোগ্য আইনপ্রণেতা তৈরি করা এবং (৫) গণহত্যা মামলার বিচার, দুর্নীতি দমন ও রাষ্ট্রসংস্কারের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পুনরাবৃত্তি রোধ করা।

বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন, এসব দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর গণআন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে তারা জনগণকে গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান। সমাবেশ শেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ কর্মসূচির সফলতার জন্য অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে ঘোষিত সব কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৪
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।