1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. ashiqsmi2@gmail.com : Hossain Bin Aftab : Hossain Bin Aftab
  3. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Abm Kaium Raj
  4. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
  5. support@wordprees.org : support :
       
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
সাতক্ষীরা পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, মাদক কারবারিদের তিন দিনের আল্টিমেটাম সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিজিবি সদস্যের বাড়িতে চুরি: র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার আসামির জন্য রাজনৈতিক তদবির! মজনু সরদারের ‘অবৈধ’ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও শ্রমিক ইউনিয়নে হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবিতে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ সমাবেশ মেঘা প্রকল্পের ভেড়িবাঁধ সুরক্ষায় গাবুরায় অবৈধ ‘নাইনটি’ অপসারণ অভিযান শ্যামনগরে জুয়েলারি ব্যবসায়ীর ওপর হামলার অভিযোগ, চাঁদা দাবির দাবি অর্থের অভাবে থমকে গেছে বাহারুল শেখের চিকিৎসা—না খেয়ে দিন পার করছেন ছোট বাচ্চা মানবিক সহায়তার আবেদন জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় র‍্যালি, বৃক্ষরোপণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত অসহায় মানুষের মুখে হাসি,স্বস্তি হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সরকারি দপ্তর পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, সেবার মানোন্নয়নে নির্দেশনা ঘা শুকানোর আগেই যেন নতুন ঘা তৈরির প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে গাবুরায়।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিজিবি সদস্যের বাড়িতে চুরি: র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার আসামির জন্য রাজনৈতিক তদবির!

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার শ্যামনগর পৌরসভার কাঁচড়াহাটি এলাকায় এক বিজিবি সদস্যের বসতবাড়িতে চুরি মামলায় সন্দেহভাজন এক আসামিকে গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

মামলা তদন্তের একপর্যায়ে গত ৩০ জুন সাতক্ষীরা শহরের বড়বাজার এলাকা থেকে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে শাহামীম সিকদারকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৬। পরে তাকে শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। থানাপুলিশ আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানোর পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। আদালত সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ দেখে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। বর্তমানে শাহামীম সিকদার শ্যামনগর থানায় রিমান্ডে রয়েছেন।

এদিকে, চুরির ঘটনায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে রিমান্ডে থাকা শাহামীম সিকদারকে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে তদবির চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

তাদের দাবি, ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতাকর্মী সন্দেহভাজন আসামির পক্ষে বিভিন্নভাবে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। এর ফলে মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য, মামলাটির গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। তাই তারা কোনো ধরনের প্রভাব বা তদবিরের ঊর্ধ্বে থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান নূর বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আদালতের নির্দেশে সন্দেহভাজন আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তে কোনো ধরনের প্রভাব বা তদবিরের সুযোগ নেই। তদন্তে যার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার বাদী বিজিবি সদস্য জি.এম. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গত ৩১ মে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে পার্শ্ববর্তী উপজেলা কালিগঞ্জে তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরিবারের অনুপস্থিতির সুযোগে ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দুর্বৃত্তরা বাড়ির মূল ফটক ও ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।

চোরেরা শয়নকক্ষের আলমারি ভেঙে প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া স্বর্ণালঙ্কারের মধ্যে ছিল একটি নেকলেস, দুটি রুলি, এক জোড়া কানের দুল, এক জোড়া রিং দুল, একটি স্বর্ণের আংটি, একটি স্বর্ণের চেইন এবং পাঁচটি নাকফুল।

এ ছাড়া আলমারিতে রাখা দুটি প্লাস্টিকের পাত্র থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, ড্রয়ার থেকে ২১ হাজার ৩০০ টাকা নগদ অর্থ, জনতা ব্যাংকের একটি এটিএম কার্ডসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীও চুরি হয়।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যরা চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করা হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বাড়িতে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরায় ঘটনার কিছু ফুটেজ ধারণ হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় গত ৩ জুন মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।##

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৪
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।