1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. ashiqsmi2@gmail.com : Hossain Bin Aftab : Hossain Bin Aftab
  3. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Masum Belal Kaium
  4. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
  5. support@wordprees.org : support :
       
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
সাতক্ষীরায় ২৫০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরাজীর্ণ ভবন, টিনের ঘরে চলছে পাঠদান কালিগঞ্জের অন্যতম সমাজ সংস্কারক চেয়ারম্যান আব্দুল গফুরের জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল বন্ধুত্বের বন্ধন ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ সভাপতি হাবিব, সম্পাদক নাসির, সাংগঠনিক ইমরান নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের কোটি টাকার তহবিল ঘিরে চক্রান্ত! শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা, স্বাভাবিক পরিবেশ ফেরানোর দাবি শ্যামনগরে জামায়াতের লিডারশিপ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পূর্ব শত্রুাতাকে কেন্দ্র করে শ্যামনরে সংঘর্ষ আহত-২ থানায় অভিযোগ দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নূর ইসলামের দাফন সম্পন্ন আশাশুনিতে জাইকার বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ।।পাউবো কর্মকর্তা-ঠিকাদার যোগসাজশে কোটি টাকা লোপাটের আশঙ্কা,ঝুঁকিতে উপকূলের বাঁধ ঈদে মিলাদুন্নবী(সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে শ্যামনগরে র‍্যালি ও দোয় অনুষ্ঠিত ভোমরায় জামায়াতের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি রোগ নির্ণয় ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরায় ২৫০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরাজীর্ণ ভবন, টিনের ঘরে চলছে পাঠদান

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা জেলার ২৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরাজীর্ণ, ঝুঁকিপূর্ণ ও অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর মধ্যে পাঠদান চলছে। কোথাও পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, কোথাও টিনের ঘর, আবার কোথাও কাঁচা ও আধাপাকা স্থাপনায় পাঠ নিতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। সামান্য বৃষ্টিতেই শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ায় ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান। এতে একদিকে যেমন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বাড়ছে, অন্যদিকে বিদ্যালয়ে শিশুদের ধরে রাখাও কঠিন হয়ে পড়ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলায় মোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১ হাজার ৯৫টি। এর মধ্যে সাতটি উপজেলার জরাজীর্ণ ভবনবিশিষ্ট ২৫০টি বিদ্যালয়ের তালিকা ও প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখায় পাঠানো হয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সমস্যা নিরসনে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা রয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন বলেন, বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার সাতটি উপজেলার জরাজীর্ণ ভবনবিশিষ্ট ২৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা ও তথ্য পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘পিইডিপি-৫ প্রকল্পের আওতায় এসব বিদ্যালয়ের ভবন পুনর্র্নিমাণ হবে বলে আমরা আশা করছি। নতুন ভবন নির্মাণ করা হলে বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও আনন্দমুখর পরিবেশে পাঠদান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’ শনিবার (২৯ আগস্ট) সরেজমিনে আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, কোথাও শ্রেণিকক্ষের ছাদ ও দেয়ালে ফাটল, কোথাও ভবনের বিভিন্ন অংশ জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। আবার কোনো কোনো বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত পাকা ভবন না থাকায় টিন, গোলপাতা কিংবা আধাপাকা ঘরে পাঠদান করতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে এসব শ্রেণিকক্ষে পানি ঢুকে পড়ায় শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিকভাবে ক্লাস করা ব্যাহত হচ্ছে।
নবীননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুকুল রানী সরকার বলেন, বিদ্যালয়ে পাকা ভবন না থাকায় আধাপাকা গোলপাতার ছাউনির নিচে পাঠদান করতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই শ্রেণিকক্ষের ভেতরে পানি পড়ে যায়। এতে পাঠদান করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। পাশাপাশি এমন পরিবেশে শিশুদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখাও কঠিন হয়ে যায়। শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রাথমিক পর্যায়ে বিদ্যালয়ের পরিবেশ শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করা ও নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু জরাজীর্ণ ও অনিরাপদ শ্রেণিকক্ষের কারণে অনেক সময় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। বৃষ্টির সময় পানি পড়া, অতিরিক্ত গরমে টিনের ঘর উত্তপ্ত হয়ে ওঠা এবং পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষের অভাবে একাধিক শ্রেণির পাঠদানে সমস্যার সৃষ্টি হয়।
অভিভাবকেরাও বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত সমস্যা দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা বয়সে ছোট হওয়ায় নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শ্রেণিকক্ষ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চলতে থাকলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যায়। শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শুধু শিক্ষক নিয়োগ বা পাঠ্যবই সরবরাহ করলেই মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এর সঙ্গে নিরাপদ ভবন, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, সুপেয় পানি, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও শিশুদের উপযোগী শিক্ষার পরিবেশও প্রয়োজন। সাতক্ষীরার ২৫০টি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করা গেলে শিক্ষার পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তাঁরা মনে করেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের পাঠানো তালিকার ভিত্তিতে পিইডিপি-৫ প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয়গুলোর ভবন পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের এ সমস্যা থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মুক্তি পাবেন- এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৬
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।