1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Masum Belal Kaium
  3. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
       
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
ভোটকেন্দ্রভিত্তিক পোলিং এজেন্টদের নিয়ে জামায়াতের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স আশাশুনি ওসির সঙ্গে বড়দল জামায়াত নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় ‎সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরা বন্ধে নবীন-প্রবীণের আবেদন কলারোয়ায় দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, ডিজি দপ্তরে আবেদন সাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের জানাযা অনুষ্ঠিত বাঁশতলা বাজারে কাপড়ের দোকানে লুটপাটের অভিযোগ পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ২৩ বস্তা মালামাল । সাতক্ষীরার ইন্দ্রীরা গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় স্বামী-স্ত্রী আহত, স্ত্রীর শীলতাহানীর অভিযোগ ভূমি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের জরুরী হস্তক্ষেপ কামন। শ্যামনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, কর্তৃপক্ষ নীরব ‘মাদক বিক্রয়ে প্রতিবাদের জের’ ‘যুবদল নেতার বাড়িতে ডেকে পিতা-পুত্রের উপর মধ্যযুগীয় নির্যাতন

কলারোয়ায় দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, ডিজি দপ্তরে আবেদন

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

বিশেষ সংবাদদাতা:

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ছোটরাজনগর দাখিল মাদ্রাসায় ‘নৈশ প্রহরী’ ও নবসৃষ্ট ‘অফিস সহায়ক’ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির সুপারিনটেনডেন্ট এবং পরিচালনা কমিটির সভাপতি যোগসাজশ করে সরকারি বিধি উপেক্ষা করে নিজেদের স্বজনদের চাকরি পাইয়ে দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন, এমন দাবি তুলে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) বরাবর সম্প্রতি একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ফিরোজ আলমের দাখিলকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মার্চ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর নিয়ম অনুযায়ী যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করেন। পরবর্তীতে জানা যায়, অফিস সহায়ক পদে সুপারের নিজস্ব মেয়ে ও নাতনী এবং নৈশ প্রহরী পদে সভাপতির আপন ভাই প্রার্থী হয়েছেন। অভিযোগকারীর দাবি, সুপারের মেয়েকে নিশ্চিতভাবে নিয়োগ দেয়ার সুবিধার্থে পূর্বের বৈধ আবেদনকারীদের বাদ রেখে বা অতিরিক্ত আবেদন জমা দেখিয়ে অধিদপ্তরে পাঠানোর গোপন প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।
অভিযোগপত্রে প্রতিষ্ঠানটিতে অতীতে ঘটে যাওয়া স্বজনপ্রীতির বিভিন্ন তথ্যও তুলে ধরা হয়। উল্লেখ করা হয়, পূর্বে সুপারের ভাগ্নিকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ২০২০ সালে নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব হিসেবে নিজে উপস্থিত থেকে সরকারি বিধি লঙ্ঘনপূর্বক নিজ মেয়েকে ‘আয়া’ এবং জামাতাকে ‘নিরাপত্তা কর্মী’ পদে নিয়োগ নিশ্চিত করেছিলেন তৎকালীন ও বর্তমান সুপার। এসব অনিয়মের কারণে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে এবং মাদ্রাসার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে নিবন্ধিত (গ্রহণ নং: ২০৮৮) এ আবেদনে উল্লিখিত অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযোগের অনুলিপি স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর পাঠানো হয়। উত্থাপিত অভিযোগ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সুপার বা ম্যানেজিং কমিটির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি; প্রশাসনিক তদন্তের মাধ্যমেই পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৬
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।