1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Masum Belal Kaium
  3. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
       
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
দেবহাটায় জামায়াতের উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত আশাশুনি সরকারি কলেজে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত শ্যামনগরে জলবায়ু শিক্ষা ও আদিবাসী অধিকার বিষয়ক সচেতনতামূলক সেশন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় জান্নাতুল কুরআন মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে যুবলীগের ব্যানারে রাতে মশাল মিছিল সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহরের চাঁদপুর মালির মোড়ে মারধরের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত দাবি সৌরভের সুন্দরবনের বনদস্যু জোনাব বাহিনীর প্রধান জোনাব গ্রেপ্তার গৃহবধুকে পিটিয়ে রক্তাত্ত্ব করলো দেবর শ্যামনগরে দুর্যোগ প্রতিরোধী সম্প্রদায় স্থাপন ইনসেপশন মিটিং অনুষ্ঠিত ২২ বছরে দৈনিক আলোর পরশ, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনমেলা

সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহরের চাঁদপুর মালির মোড়ে মারধরের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত দাবি সৌরভের

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের চাঁদপুর মালির মোড়ের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধর ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলেছেন সৌরভ বিশ্বাস। ঘটনাটিকে পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে নেওয়া হয়েছে দাবি করে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চেয়েছেন তিনি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় বি.ডি.এফ (ব্রহ্মরাজপুর-ধুলিহর-ফিংড়ি) প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন সৌরভ।

তিনি ধুলিহর ইউনিয়নের বেড়বাড়ি ডাকের বটতলা গ্রামের রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের ছেলে।

লিখিত বক্তব্যে সৌরভ বলেন, গত ৪ নভেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে মোটরসাইকেল বন্ধক ও আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে কথা বলতে তিনি চাঁদপুর মালির মোড়সংলগ্ন একটি বাড়িতে যান। বেনেখালি গ্রামের আয়ুব আলীর কাছ থেকে তিনি একটি মোটরসাইকেল বন্ধক নিয়েছিলেন। এ ক্ষেত্রে মমতাজ বেগম ও ফজর আলী মধ্যস্থতা করেছিলেন বলে তাঁর দাবি।

সৌরভের ভাষ্য, ঘটনার দিন জরুরি প্রয়োজনে পাঁচ হাজার টাকা দরকার হওয়ায় তিনি মমতাজ বেগমের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। মমতাজ তাঁকে জানান, তিনি সাবিনা খাতুনের বাড়িতে রয়েছেন। পরে সেখানে গিয়ে আয়ুব আলীর সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন সৌরভ। এ সময় মোটরসাইকেল ফেরত দেওয়া ও টাকা-পয়সার হিসাব নিয়ে আলোচনা চলছিল।

সৌরভ অভিযোগ করেন, কিছুক্ষণ পর বাড়ির বাইরে লোকজন জড়ো হয়। একপর্যায়ে মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে কয়েকজন তাঁকে টেনেহিঁচড়ে উঠান থেকে বের করে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন। এ সময় তাঁকে লাঠিসোঁটা, চড়-থাপ্পড় ও ঘুষি মারা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

সৌরভের দাবি, তাঁকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছে। তবে মমতাজ বেগমের সঙ্গে তাঁর কোনো অনৈতিক সম্পর্ক ছিল না। তাঁর ভাষ্য, বিষয়টি ছিল সম্পূর্ণ মোটরসাইকেল ও আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত।

লিখিত বক্তব্যে সৌরভ আরও বলেন, মমতাজ বেগমের স্বামী ফজর আলীর পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের আগে থেকেই বিরোধ রয়েছে। এর আগে তাঁদের বাড়িঘর ও বারান্দা ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

তিনি আরও জানান,ঘটনার সময় ৩০ থেকে ৪০ জন যুবক উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি করেন সৌরভ। তাঁদের মধ্যে স্থানীয় কয়েকজনের পাশাপাশি এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে শাহীন নামে এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সৌরভ। এ ছাড়া ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও ও লাইভে যাচাই ছাড়াই তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে দাবি করেন সৌরভ।

তিনি জানান, স্থানীয় লোকজন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে তাঁদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। আদালতের মাধ্যমে তাঁরা জামিন পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সৌরভ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, মারধর ও গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখার অভিযোগ যাচাই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওর পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট অনুসন্ধান এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি নিজের নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
সৌরভ বলেন, ‘আমি কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে চাই না। আমি শুধু প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ ও ন্যায়বিচার চাই।’

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত মমতাজ বেগম, সাবিনা খাতুন ও ফজর আলী সৌরভের দাবির প্রতি সমর্থন জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৬
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।