1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. ashiqsmi2@gmail.com : Hossain Bin Aftab : Hossain Bin Aftab
  3. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Masum Belal Kaium
  4. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
  5. support@wordprees.org : support :
       
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
শ্যামনগরে দেড় কিলোমিটার সড়কে ১,৫০০ তালবীজ রোপণ চাম্পাফুল আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠের অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে তারুণ্যের ঐক্যবদ্ধ উন্নয়ন প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয় আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৪ আশাশুনিতে ইয়াবা সেবনকারী যুবকের কারাদণ্ড শ্যামনগরের পদ্মপুকুর ইউনিয়নে দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন ‎তালায় নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণে যুব অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হার্টে ব্লকজনিত সমস্যায় হাসপাতালে ভর্তি ইমাম হাফেজ হযরত আলী, আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ ‎সাতক্ষীরায় কারিতাসের উদ্যোগে ষান্মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নূরনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি মাসিক শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত- ১, আহত- ১

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫

 

মোঃ শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ডুমরারসুর মোড়ে ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনা। শনিবার (১৮ মে ২০২৫) রাত আনুমানিক ১০টায় একটি ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সেনা সদস্য মোঃ আব্দুর রহিম গুরুতর আহত হন এবং তার সঙ্গে থাকা বন্ধু সাকিম সরদার ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সৈনিক আব্দুর রহিম গত ১৭ মে দুই মাসের বাৎসরিক ছুটিতে বাড়িতে আসেন। পরদিন সন্ধ্যায়, অর্থাৎ ১৮ মে, তিনি বন্ধুসহ মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হন এবং গোপালগঞ্জ শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। ডুমরারসুর মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।

স্থানীয়রা দ্রুত আহত সৈনিক আব্দুর রহিমকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন এবং তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় নিহত সাকিম সরদার (পিতা: হান্নান সরদার) ও আহত সৈনিক আব্দুর রহিম (পিতা: মো: খায়রুল আলম)—দুজনেই সদর উপজেলার খানার পাড় গ্রামের বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিনের বন্ধু ছিলেন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দুর্ঘটনার সময় তাদের কারো মাথায় হেলমেট ছিল না, যা এমন প্রাণঘাতী পরিণতির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাফিক সচেতনতার অভাব এবং হেলমেট না পরার প্রবণতা দেশের বহু তরুণ প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে প্রতিনিয়ত।

পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাকের খোঁজে মাঠে নেমেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই মোড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

এ ধরনের দুর্ঘটনা আমাদের আবারও স্মরণ করিয়ে দেয়—সড়কে নিরাপত্তা মানেই জীবন বাঁচানো। হেলমেট ব্যবহার, গতি নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক নিয়ম মানার বিকল্প নেই।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৬
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।