1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. ashiqsmi2@gmail.com : Hossain Bin Aftab : Hossain Bin Aftab
  3. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Masum Belal Kaium
  4. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
  5. support@wordprees.org : support :
       
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
শ্যামনগরে দেড় কিলোমিটার সড়কে ১,৫০০ তালবীজ রোপণ চাম্পাফুল আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠের অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে তারুণ্যের ঐক্যবদ্ধ উন্নয়ন প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয় আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৪ আশাশুনিতে ইয়াবা সেবনকারী যুবকের কারাদণ্ড শ্যামনগরের পদ্মপুকুর ইউনিয়নে দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন ‎তালায় নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণে যুব অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হার্টে ব্লকজনিত সমস্যায় হাসপাতালে ভর্তি ইমাম হাফেজ হযরত আলী, আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ ‎সাতক্ষীরায় কারিতাসের উদ্যোগে ষান্মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নূরনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি মাসিক শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত

সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ বন্ধের দেড় মাস পার, কষ্টে দিন কাটাচ্ছে উপকূলের জেলেরা

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ বন্ধের দেড় মাস পার, কষ্টে দিন কাটাচ্ছে উপকূলের জেলেরা

মোঃ শরিফুল ইসলাম (বুড়িগোয়ালিনী প্রতিনিধি)

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞার দেড় মাস অতিবাহিত হলেও এখনো চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন উপকূলের হাজারো জেলে পরিবার।
জীবিকার প্রধান উৎস বন্ধ থাকায় অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানা গেছে।
বন বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া আহরণ বন্ধ রাখা হয়েছে, যাতে প্রাকৃতিকভাবে কাঁকড়ার উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং বনজ সম্পদ সংরক্ষিত থাকে। তবে দীর্ঘ এই সময়টিতে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা না থাকায় বিপাকে পড়েছেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর, কয়রা ও আশাশুনি উপজেলার উপকূলবর্তী এলাকার জেলেরা।
স্থানীয় জেলে জামাল মোল্লা, আনিসুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, হাসন সরদার জানান, বছরের বেশিরভাগ সময় তারা সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী ও খালে নামতে না পেরে সংসারের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেকেই ধারদেনা করে বাজার করছেন, কেউ কেউ এনজিও থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী এলাকার একাধিক জেলেরা আরো বলেন, “দেড় মাস পার হয়ে গেছে, হাতে কোনো কাজ নেই। সরকারি সহায়তার আশ্বাস পেলেও এখনো অনেকের হাতে পৌঁছেনি।” তাদের দাবি, নিষেধাজ্ঞার সময় অন্তত চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হলে কিছুটা স্বস্তি মিলত।
এদিকে বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া ধরা বন্ধ রাখা হলে ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়বে এবং জেলেরা দীর্ঘমেয়াদে লাভবান হবেন। তবে উপকূলবাসীর দাবি, দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি তাৎক্ষণিক সহায়তাও জরুরি।
সচেতন মহল মনে করছেন, সুন্দরবন রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজনীয় হলেও জেলেদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান, ভিজিএফ বা বিশেষ প্রণোদনা কার্যক্রম চালু না করলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হতে পারে।
নিষেধাজ্ঞার বাকি সময়টুকু কিভাবে পার করবেন—এ চিন্তায় দিন গুনছেন উপকূলের হাজারো জেলে পরিবার। এখন তাদের একটাই প্রত্যাশা, দ্রুত সরকারি সহায়তা ও টেকসই সমাধান।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৬
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।