1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. ashiqsmi2@gmail.com : Hossain Bin Aftab : Hossain Bin Aftab
  3. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Abm Kaium Raj
  4. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
  5. support@wordprees.org : support :
       
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ বন্ধের দেড় মাস পার, কষ্টে দিন কাটাচ্ছে উপকূলের জেলেরা ৭ই ফেব্রুয়ারী সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিশাল নির্বাচনী জনসভা শ্যামনগরে উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে নূরনগরে রুকনদের নিয়ে জামায়াতে নির্বাচনীয় সভা অনুষ্ঠিত বিরলে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবাগত ইউএনওর সাথে অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ কালিগঞ্জে নলতায় স্ত্রীকে রশি পেঁচিয়ে হত্যার চেষ্টা স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ঈশ্বরদীতে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণায় রক্তক্ষয়ী হামলা “আটুলিয়া এক নম্বর ওয়ার্ড এ নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত” আশাশুনি-সাতক্ষীরা সড়কে দুর্ঘটনায় আহত-৬

সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ বন্ধের দেড় মাস পার, কষ্টে দিন কাটাচ্ছে উপকূলের জেলেরা

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ বন্ধের দেড় মাস পার, কষ্টে দিন কাটাচ্ছে উপকূলের জেলেরা

মোঃ শরিফুল ইসলাম (বুড়িগোয়ালিনী প্রতিনিধি)

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞার দেড় মাস অতিবাহিত হলেও এখনো চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন উপকূলের হাজারো জেলে পরিবার।
জীবিকার প্রধান উৎস বন্ধ থাকায় অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানা গেছে।
বন বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া আহরণ বন্ধ রাখা হয়েছে, যাতে প্রাকৃতিকভাবে কাঁকড়ার উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং বনজ সম্পদ সংরক্ষিত থাকে। তবে দীর্ঘ এই সময়টিতে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা না থাকায় বিপাকে পড়েছেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর, কয়রা ও আশাশুনি উপজেলার উপকূলবর্তী এলাকার জেলেরা।
স্থানীয় জেলে জামাল মোল্লা, আনিসুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, হাসন সরদার জানান, বছরের বেশিরভাগ সময় তারা সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী ও খালে নামতে না পেরে সংসারের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেকেই ধারদেনা করে বাজার করছেন, কেউ কেউ এনজিও থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী এলাকার একাধিক জেলেরা আরো বলেন, “দেড় মাস পার হয়ে গেছে, হাতে কোনো কাজ নেই। সরকারি সহায়তার আশ্বাস পেলেও এখনো অনেকের হাতে পৌঁছেনি।” তাদের দাবি, নিষেধাজ্ঞার সময় অন্তত চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হলে কিছুটা স্বস্তি মিলত।
এদিকে বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া ধরা বন্ধ রাখা হলে ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়বে এবং জেলেরা দীর্ঘমেয়াদে লাভবান হবেন। তবে উপকূলবাসীর দাবি, দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি তাৎক্ষণিক সহায়তাও জরুরি।
সচেতন মহল মনে করছেন, সুন্দরবন রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজনীয় হলেও জেলেদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান, ভিজিএফ বা বিশেষ প্রণোদনা কার্যক্রম চালু না করলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হতে পারে।
নিষেধাজ্ঞার বাকি সময়টুকু কিভাবে পার করবেন—এ চিন্তায় দিন গুনছেন উপকূলের হাজারো জেলে পরিবার। এখন তাদের একটাই প্রত্যাশা, দ্রুত সরকারি সহায়তা ও টেকসই সমাধান।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৪
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।