1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. ashiqsmi2@gmail.com : Hossain Bin Aftab : Hossain Bin Aftab
  3. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Masum Belal Kaium
  4. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
  5. support@wordprees.org : support :
       
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
শ্যামনগরে দেড় কিলোমিটার সড়কে ১,৫০০ তালবীজ রোপণ চাম্পাফুল আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠের অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে তারুণ্যের ঐক্যবদ্ধ উন্নয়ন প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয় আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৪ আশাশুনিতে ইয়াবা সেবনকারী যুবকের কারাদণ্ড শ্যামনগরের পদ্মপুকুর ইউনিয়নে দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন ‎তালায় নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণে যুব অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হার্টে ব্লকজনিত সমস্যায় হাসপাতালে ভর্তি ইমাম হাফেজ হযরত আলী, আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ ‎সাতক্ষীরায় কারিতাসের উদ্যোগে ষান্মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নূরনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি মাসিক শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত

বদলির আদেশের পরও সরকারি খামারের মাছ বিক্রির অভিযোগ, সরকারি স্লিপ ছাড়াই

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার এল্লারচর সরকারি মৎস্য খামারে বদলির আদেশ জারির পরও সরকারি স্লিপ ছাড়াই লাখ লাখ টাকার মাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে খামার থেকে মাছ ধরে বিক্রি করা হচ্ছে, ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

রোববার (২৬ জুলাই) ভোর থেকে খামারে মাছ ধরা ও বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি খাস জমিতে অবস্থিত এ মৎস্য খামারটি নির্ধারিত সরকারি নীতিমালা ও ইজারা প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে। এ ঘটনায় খামারের দায়িত্বে থাকা ডা. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি খামারের কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে পরিচালিত হওয়ার কথা। কিন্তু চলতি সময়ে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই মাছ বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সরকারি রাজস্ব আদায়ে ক্ষতি হচ্ছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করে মাছ বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না হয়ে অন্যভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া মাছ বিক্রির সময় ক্রেতাদের সরকারি স্লিপ বা প্রয়োজনীয় রসিদও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় মৎস্যচাষী বলেন, সরকারি খামার পরিচালনায় নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কোনো দৃশ্যমান অনুমোদন ছাড়াই কীভাবে এত বড় পরিসরে মাছ বিক্রি হচ্ছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। এতে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে, তেমনি সাধারণ মৎস্যচাষীরাও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

অভিযোগের বিষয়ে খামারের দায়িত্বে থাকা ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, খামারের কাজই হলো মাছ কেনাবেচা করা। বিভিন্ন বকেয়া পরিশোধের প্রয়োজন হয়। আমাদের ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি আকারের পোনা মাছ বিক্রির নিয়ম রয়েছে। এ বিষয়ে রসিদও আছে, তবে তা বর্তমানে আমার কাছে নেই।তবে বদলির আদেশের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি. এম. সেলিম বলেন, সংবাদ পেয়ে আমরা সকালে ঘটনাস্থলে এসেছি। একই সঙ্গে আজ সকালেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বদলির আদেশের কাগজ হাতে পেয়েছি। মাছ বিক্রি সরকারি নির্ধারিত রেট অনুযায়ী করতে হবে এবং প্রতিটি বিক্রির ক্ষেত্রে সরকারি স্লিপ দিতে হবে। বিক্রির সব তথ্য সরকারি রেজিস্টারে সংরক্ষণ করতে হবে। এর বাইরে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৬
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।