1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. ashiqsmi2@gmail.com : Hossain Bin Aftab : Hossain Bin Aftab
  3. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Masum Belal Kaium
  4. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
  5. support@wordprees.org : support :
       
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
শ্যামনগরে দেড় কিলোমিটার সড়কে ১,৫০০ তালবীজ রোপণ চাম্পাফুল আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠের অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে তারুণ্যের ঐক্যবদ্ধ উন্নয়ন প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয় আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৪ আশাশুনিতে ইয়াবা সেবনকারী যুবকের কারাদণ্ড শ্যামনগরের পদ্মপুকুর ইউনিয়নে দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন ‎তালায় নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণে যুব অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হার্টে ব্লকজনিত সমস্যায় হাসপাতালে ভর্তি ইমাম হাফেজ হযরত আলী, আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ ‎সাতক্ষীরায় কারিতাসের উদ্যোগে ষান্মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নূরনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি মাসিক শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত

আশাশুনির নওয়াপাড়ায় ভেড়ীবাঁধে ভয়াবহ ধ্বস।। প্লাবনের শঙ্কায় আতঙ্কে এলাকাবাসী

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

আশাশুনি প্রতিনিধি।

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রামে বেতনা নদীর ভেড়ীবাঁধে দেখা দেওয়া ভয়াবহ ফাটল এখন ধসে রূপ নিয়েছে। প্রায় ১০ দিন আগে ফাটল সৃষ্টি হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রায় ৫০ হাত এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে বাঁধের স্থায়িত্ব নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে এবং সম্ভাব্য প্লাবনের আশঙ্কায় আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,গত ১৭ জুলাই বাঁধটিতে বড় ধরনের ফাটল দেখা দেয়। খবর পেয়ে ওইদিনই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও আ.আলিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরদিন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত বাঁধ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন।
এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ভিডিও কলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পরিস্থিতি অবহিত করে ২ থেকে ৪ দিনের মধ্যে জরুরি কাজ শুরু করার আশ্বাস দেন।
কিন্তু ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো কাজ শুরু হয়নি। এরই মধ্যে ফাটলস্থানে বড় ধরনের ধ্বস নেমে মাটি নদীতে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে মূল বাঁধের শীর্ষভাগ থেকে ধসপ্রাপ্ত অংশের দূরত্ব কোথাও মাত্র এক বিঘত,কোথাও দেড় থেকে দুই হাত অবশিষ্ট রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, জোয়ারের চাপ বা ভারী বৃষ্টিতে যেকোনো সময় মূল বাঁধ ভেঙে যেতে পারে।
স্থানীয়রা জানান,নওয়াপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বেতনা নদীর তীরভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে অসংখ্য বসতভিটা,কৃষিজমি ও স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নদী খননের সময় ভরাট অংশ পুরোপুরি অপসারণ না করে আংশিক খনন করা হয়। বর্ষা মৌসুম শুরু হলে খননকাজের জন্য নির্মিত আড়াআড়ি বাঁধ সরিয়ে দেওয়া হলেও নদীর নির্বাচিত অংশের পরিবর্তে নওয়াপাড়া অংশে বাঁধ অপসারণ করায় নদীর স্রোত সরাসরি এ তীরে আঘাত হানতে শুরু করে। পরে অপর পাড়ে অসম্পূর্ণ খননের কারণে নদীর প্রবাহ আরও বেশি নওয়াপাড়ার দিকে কেন্দ্রীভূত হয়। এতে তীব্র তীরভাঙনের সৃষ্টি হয়ে বর্তমানে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ হাত ভেড়ীবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি,দ্রুত জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলা ও স্থায়ী বাঁধ সংরক্ষণ কাজ শুরু না হলে যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে ভয়াবহ দুর্যোগ সৃষ্টি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বুধহাটা, ফিংড়ী,ব্রহ্মরাজপুর ও ধুলিহর ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম,হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমি এবং অসংখ্য মৎস্যঘের পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৬
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।