1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. ashiqsmi2@gmail.com : Hossain Bin Aftab : Hossain Bin Aftab
  3. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Abm Kaium Raj
  4. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
  5. support@wordprees.org : support :
       
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
আমতলীতে সোনালী লাইফ ইন্সুরেন্স পিএলসি’র মাসিক ব্যবসায়ীক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শ্যামনগরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সাতক্ষীরায় পার্টনার কংগ্রেস আশাশুনিতে সোলার ব্যাটারি চুরির অভিযোগে যুবক আটক।। গণধোলাই শেষে মুচলেকায় মুক্তি আশাশুনিতে মাদকের টাকার জন্য বাবা-মায়ের ওপর হামলা।।ছেলে গ্রেপ্তার খাজরায় মেম্বার প্রার্থী মিজানুর ও গ্রামবাসীর উদ্যোগে শ্মশানঘাটের পাইলিং কাজ শুরু হাজারো আলেমের ওস্তাদ মাওলানা আব্দুল মালেক ইন্তেকাল করেছেন। ‘আমার মেয়েটা বাবাকে আর কোনোদিন ডাকতে পারবে না’—স্বামী হত্যার বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন স্ত্রী শ্যামনগরে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন

সুন্দরবনে পরিবারের সঙ্গ: কাইয়ুম রাজের আনন্দঘন ভ্রমণ

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫

আমি এবিএম কাইয়ুম রাজ। এবারের ঈদে আমি নানুবাড়ি গিয়েছিলাম। ঈদের আনন্দ পরিবারের সবার সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলাম। ঈদের কয়েকদিন পর নানুবাড়ি থেকেই সবাইকে নিয়ে আমরা রওনা দিলাম সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে।

 

আমাদের টিমটা ছিল বেশ বড়—মামাতো ভাই ছাব্বির, খালাতো ভাই আখলাকুর, মামা ফরিদ, মামাতো বোন মর্জিনা, শিরিনা, মিথিলা, বোন শাপরা, মর্জিনার বর হামজা দুলাভাই, দুইজন মামনি, ভাগ্নে সোহান আর ভাগ্নি সোহানা—সবাই মিলে গিয়েছিলাম।

 

নৌকায় চেপে আমরা সুন্দরবনের মধ্যে দিয়ে ঘুরতে ঘুরতে প্রকৃতির সৌন্দর্যে হারিয়ে গিয়েছিলাম। চারপাশে শুধু পানি আর গাছ, মাঝে মাঝে দূরে জঙ্গলের শব্দ। কেউ কেউ ছবি তুলছিল, কেউ আবার শুধু বসে বসে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করছিল।

 

এক জায়গায় গিয়ে আমরা সবাই মিলে নেমে পড়লাম। তখন শুরু হলো গাছে ওঠার প্রতিযোগিতা। ছাব্বির, আখলাকুর, আমি, এমনকি মর্জিনা, শিরিনা, মিথিলা, শাপলা—সবাই গাছে উঠেছিলাম। সবাই খুব মজা করছিল, আর কেউ কেউ নিচে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছিল। আমাদের হাসি-তামাশায় চারপাশের বাতাস প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল।

 

তারপর সবাই মিলে বসে মিষ্টি খেলাম, ঠান্ডা কোক খাওয়া হলো। ভাগ্নে সোহান আর ভাগ্নি সোহানা দৌড়াদৌড়ি করে সবাইকে জ্বালিয়ে দিচ্ছিল, মামনিরা বারবার ডাকছিল, “এই সোহান, নামো নিচে!” কিন্তু কে শোনে কার কথা!

 

বিকেলের দিকে আমরা আবার নৌকায় উঠলাম। নদীর বাতাসে মনটা যেন একদম হালকা হয়ে গেল। মামা ফরিদ তখন আমাদের সুন্দরবনের কিছু পুরনো গল্প শোনালেন—জলদস্যু, বাঘ আর হরিণের গল্প।

 

এই ভ্রমণটা আমাদের জীবনের এক সুন্দর স্মৃতি হয়ে থাকবে। এত আত্মীয় একসঙ্গে মিলে এমন সুন্দর পরিবেশে সময় কাটানো—এটা সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৬
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।