
শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
শ্যামনগরে বিবাহিত স্ত্রীকে ফুসলায় অন্যত্র বিবাহ,পাচার করার অভিযোগে বিজ্ঞ আমলী ৫ নং (শ্যামঃ) আদালত,সাতক্ষীরারা শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের বৈশখালী গ্রামের মৃত তোফাজুদ্দীন কাগুচী, মোঃ আশরাফ কাগুচী বাদী হয়ে দুই জনকে আসামি করে ২১/৬/২৬ তারিখে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আমলী ৫নং(শ্যামঃ) আদালতে মামলা।আসামীর হলেন, বৈশখালী গ্রামের জিয়াদ গাজীর মেয়ে হালিমা খাতুন, রমজাননগর ইউনিয়নের চাঁদখালী গ্রামের অখিউদ্দীন গাজীর ছেলে আহমেদুল গাজী।এঘটনা গত ৫ জুন ২০২৬ বাড়িতে ঘটে।
মামলা সূত্রে জানাজায়,১নং আসামী ন্যাস্ত ও সরল বিশ্বাস ভঙ্গকারী, ব্যাভীচার, লোভী। অন্যদিকে বাদী একজন সরল ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ব্যাক্তি।বাদী ১নং আসামী হালিমা খাতুন বিবাহ করিয়া পরম শাস্তিতে ঘর সংসার করি। আমার ঔরষে স্ত্রী গর্ভে বর্তমানে ৪টি সন্তান আছে। কিন্তু আমাদের সংসারিক গোলযোগের কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার তালাকের সৃষ্টি হয় গত ১৮/০৯/২০২১ তারিখে আপোষের মাধ্যমে তালাক সম্পূর্ন হয়। উভয়ের সম্মতিতে গত ইং-২৩/১১/২৫ তারিখে আবার বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হয়। ১নং আ সহিত বাদীর ২য় বার বিবাহের পরে পরকিয়া করিতে থাকে দিনে পর দিন। বাদী বাদীকেহাতে নাতে ধরার পর অঙ্গিকার করেন যে, ভবিষৎতে আর এমন করিবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেয়।
বাদী সন্তান ও পরিবারের মানস্মানের কথা চিন্তা করে ঘর সংসার করিতে থাকি। কিন্তু ২নং আসামীর কুমন্ত্রনায় দিতে থাকে তাহার কুমন্ত্রনায় প্রভাভিত হয়ে ১নং আসামী গত ০৫/০৫/২৬ তারিখে বাদীর ছেলে মোঃ আশিক হামজা বিদেশে পাঠানোর জন্য জমা রাখা ৭,০০,০০০ (সাত লক্ষ) টাকা নিয়ে ২নং আসামী সহিত পালিয়া চলিয়া যাইয়া। পরবর্তীতে বাদী ও বাদীর পরিবার ১নং আসামীর অভিভাবকে জানাই ১নং আসামীকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে থানায় অভিযোগ করিলে থানা কর্তৃক জানানো হয় যে, ১নং আসামী ২নং আসামী একই সাথে বসবাস করে ও মেলামেশা করা ও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ছে যাহা ব্যাভিচারের সামিল। ১নং আসামীর সহিত বাদীর বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যামান থাকা অবস্থায় তালাক প্রদান না করিয়া ২নং আসামীর সহিত বিবাহ করিয়া সংসার জীবন পালন করা ব্যাভিচারের অপরাধ করিয়াচে বিধায় অত্র মামলার উৎপত্তি।। স্বাক্ষীরা সকল ঘটনা জানে, শোনে, ও দেখেছে। তাহারা আদালতে স্বাক্ষ্য দিয়া প্রমান করিবে।
এই বিষয়ে শ্যামনগর থানার (ভারপ্রাপ্ত) অফিসার ইনচার্জ পিয়ার আলী বলেন,সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আমলী ৫ নং (শ্যামঃ) আদালতের মামলার কপি পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।