
মোঃ শরিফুল ইসলাম- উপকূলীয় অঞ্চল প্রতিনিধি বুড়িগোয়ালিনীঃ
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের শ্যামনগর পূর্ব আদর্শ থানা শাখার অধীনস্থ বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ওবায়দুল্লাহ আল মামুনকে সাংগঠনিকভাবে কর্মী পদ বাতিল ও সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটির স্থানীয় নেতৃত্ব বৃন্দ। তবে এ সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নিজ ইচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন বলে প্রচার করেন, যা নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সংগঠনের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে ওবায়দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ পাওয়ার পর তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও যাচাই-বাছাই শুরু হয়।
দীর্ঘ দুই মাসের অনুসন্ধান শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে দাবি করে সংগঠনটি।
এরপর থানা ও ইউনিয়ন শাখার দায়িত্বশীলদের পরামর্শক্রমে গত ২৫ জুন ২০২৬ তারিখে তাকে কর্মী পদ থেকে বাতিল এবং সাংগঠনিক সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে, সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর ওবায়দুল্লাহ আল মামুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নিজেই সংগঠন থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন বলে একটি পোস্ট বা সংবাদ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি জাকির হোসেন বলেন,তাকে সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কর্মী পদ থেকে বাতিল ও সকল সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। তিনি নিজে থেকে অব্যাহতি দেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিষয়টি সঠিক নয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়।
একজন মুমিনের ব্যক্তিগত দোষ-ত্রুটি জনসম্মুখে প্রকাশ না করার নীতি অনুসরণ করে বিষয়টি প্রকাশ্যে না এনে শুধুমাত্র সাংগঠনিক গ্রুপের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিন্ন ভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করায় সংগঠন তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে বাধ্য হয়েছে বলে জানানো হয়।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের সভাপতি আরো বলেন যে মিডিয়ার মাধ্যমে যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে। সে জন্য তাকে সংগঠনের নিয়ম ও আইন অনুযায়ী তার এই।
মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের কারণে তাকে কর্মী ও দায়িত্ব পালন সহ সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে ওবায়দুল্লাহ আল মামুনের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের শ্যামনগর পূর্ব আদর্শ থানা শাখার অধীনস্থ বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ওবায়দুল্লাহ আল মামুনকে সাংগঠনিকভাবে কর্মী পদ বাতিল ও সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটির স্থানীয় নেতৃত্ব বৃন্দ। তবে এ সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নিজ ইচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন বলে প্রচার করেন, যা নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সংগঠনের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে ওবায়দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ পাওয়ার পর তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে মুলতবি করা হয় এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও যাচাই-বাছাই শুরু হয়।
দীর্ঘ দুই মাসের অনুসন্ধান শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে দাবি করে সংগঠনটি।
এরপর থানা ও ইউনিয়ন শাখার দায়িত্বশীলদের পরামর্শক্রমে গত ২৫ জুন ২০২৬ তারিখে তাকে কর্মী পদ থেকে বাতিল এবং সাংগঠনিক সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে, সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর ওবায়দুল্লাহ আল মামুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নিজেই সংগঠন থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন বলে একটি পোস্ট বা সংবাদ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি জাকির হোসেন বলেন,তাকে সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কর্মী পদ থেকে বাতিল ও সকল সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। তিনি নিজে থেকে অব্যাহতি দেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিষয়টি সঠিক নয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
একজন মুমিনের ব্যক্তিগত দোষ-ত্রুটি জনসম্মুখে প্রকাশ না করার নীতি অনুসরণ করে বিষয়টি প্রকাশ্যে না এনে শুধুমাত্র সাংগঠনিক গ্রুপের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিন্ন ভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করায় সংগঠন তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে বাধ্য হয়েছে বলে জানানো হয়।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের সভাপতি আরো বলেন যে মিডিয়ার মাধ্যমে যে সংবাদ প্রকাশ করেছে। সে জন্য তাকে সংগঠনের নিয়ম ও আইন অনুযায়ী তার এই।
মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের কারণে তাকে কর্মী ও দায়িত্ব পালন সহ সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে ওবায়দুল্লাহ আল মামুনের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা চলছে।