1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Masum Belal Kaium
  3. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
       
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন

আটুলিয়ায় বিএনপির সমাবেশে জামায়াতের নেতাকর্মী যোগদানের দাবি নিয়ে বিভ্রান্তি

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

(শ্যামনগর) সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ১০ নম্বর আটুলিয়া ইউনিয়নে বিএনপির সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে নেতাকর্মীদের বিএনপিতে যোগদানের দাবি করা হলেও এ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। আটুলিয়া জামায়াতের দাবি, সমাবেশে তাদের কোনো ঘোষিত রোকন, কর্মী কিংবা সহযোগী সদস্য বিএনপিতে যোগ দেননি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আটুলিয়া ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত বিএনপির ওই সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে নেতাকর্মীদের বিএনপিতে যোগদানের দাবি করা হয়। তবে আটুলিয়া জামায়াতের নেতৃবৃন্দ দাবি করেছেন, সমাবেশে জামায়াতের সাংগঠনিক কোনো জনশক্তি বিএনপিতে যোগ দেয়নি।

আটুলিয়া জামায়াতের আমীর মাওলানা মাহবুবুর রহমান সহ নেতৃবৃন্দের ভাষ্য, সংগঠনের প্রতিটি স্তরের জনশক্তির সাংগঠনিক রেজিস্ট্রার নিয়মিতভাবে সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করা হয়। তাদের সংরক্ষিত হিসাব অনুযায়ী, আটুলিয়া শাখায় বর্তমানে পুরুষ রোকন ৩৮ জন এবং মহিলা রোকন ৫৮ জন। কর্মীর সংখ্যা পুরুষ ৩৭১ জন ও মহিলা ৪৭৬ জন। এ ছাড়া সহযোগী সদস্য হিসেবে পুরুষ ১৬ হাজার ১৪৪ জন এবং মহিলা ৬ হাজার ২৯৫ জন রয়েছেন।

জামায়াতের আটুলিয়া আমীর ও সেক্রেটারি সহ নেতৃবৃন্দের দাবি, বিএনপির সাম্প্রতিক সমাবেশে জামায়াত থেকে যারা যোগদান করেছেন বলে প্রচার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে আটুলিয়া জামায়াতের ঘোষিত রোকন, কর্মী বা সহযোগী সদস্য কেউ নেই। তাদের বক্তব্য, কোনো ব্যক্তিকে জামায়াতের নেতাকর্মী হিসেবে উপস্থাপন করার আগে তার প্রকৃত সাংগঠনিক পরিচয় যাচাই করা প্রয়োজন।

এ প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান গনির নাম উল্লেখ করে আটুলিয়া জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি মাওলানা আব্দুল বারীর ছোট ভাই হলেও কখনো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ছিলেন না। ফলে তাকে জামায়াতের কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তা বিভ্রান্তিকর হবে বলে দাবি স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দের।

জামায়াতের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, কেউ নিজেকে আটুলিয়া জামায়াতের কর্মী হিসেবে দাবি করলে তার সাংগঠনিক পরিচয়ের স্বপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ইউনিটের নাম, সর্বশেষ মাসের এয়ানাতের ভাউচার, কর্মী বৈঠকে অংশগ্রহণের তথ্য, সাধারণ সভা, তারবিয়াতী বৈঠক এবং গ্রুপভিত্তিক দাওয়াতি কার্যক্রমের প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, “রাজনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির সাংগঠনিক পরিচয় নির্ধারণ করা যায় না; বরং সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নথি ও কার্যক্রমের মাধ্যমে তা যাচাই করা উচিত।”

তারা আরও বলেন, আটুলিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক জনশক্তির পূর্ণাঙ্গ হিসাব রেজিস্টারে সংরক্ষিত রয়েছে। কোনো ব্যক্তি জামায়াতের কর্মী বা সহযোগী সদস্য ছিলেন কি না, তা নিয়ে বিতর্কের পরিবর্তে সাংগঠনিক নথিপত্র যাচাই করলেই প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।

এদিকে, এ ধরনের রাজনৈতিক দাবি নিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে আটুলিয়াবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য বা প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিচয় যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৬
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।