1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Masum Belal Kaium
  3. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
       
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন

গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের শালিস অমান্য করে চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রতিবাদ

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

উপকূলীয় অঞ্চল প্রতিনিধি শ্যামনগর।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ১২ নম্বর গাবুরা ইউনিয়নে জমি দখল করে জোরপূর্বক ধান রোপণ এবং পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদের শালিসি সিদ্ধান্ত অমান্য করে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট গাবুরা ইউনিয়নের সোরা গ্রামের বাসিন্দা আবু মুছা সানার জমিতে জোরপূর্বক ধান রোপণ করেন একই এলাকার বাসিন্দা ও বর্তমানে খুলনায় বসবাসরত মো. আবুল বাসার ওরফে বাদশা। এ ঘটনায় প্রতিকার ও ন্যায়বিচারের আশায় আবু মুছা সানা গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ আগস্ট উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে শালিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে জমি নিয়ে বিরোধের কারণে যাতে কোনো ধরনের সংঘাত বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে, সে লক্ষ্যে রোপণ করা ধান কাটার উপযুক্ত হলে ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে তা কেটে নিরপেক্ষ স্থানে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তীতে জমির জরিপ, দলিল ও অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণের পর ধান সংশ্লিষ্ট মালিকের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত হয় বলে জানা গেছে।

শালিসে উপস্থিত স্থানীয়দের দাবি, বিচারকার্য চলাকালে আবুল বাসার ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেন। এ সময় তিনি বাদীপক্ষ ও শালিসে উপস্থিত ব্যক্তিদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন এবং উচ্চস্বরে চেঁচামেচি করে বৈঠক পণ্ড করে দেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

পরবর্তীতে প্রকৃত ঘটনা ও শালিসি বৈঠকের সিদ্ধান্ত গোপন করে সাতক্ষীরা দেওয়ানি আদালতে গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জি এম মাছুদুল আলমসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জি এম মাছুদুল আলম বলেন।

ইউনিয়ন পরিষদ সব সময় আইন মেনে স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তিতে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে। জমি নিয়ে বিরোধের কারণে যাতে কোনো ধরনের রক্তক্ষয় বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে, সে কারণেই ধান কাটার পর পরিষদের জিম্মায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু একটি পক্ষ গ্রাম আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটিয়ে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা করেছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা এ হয়রানিমূলক মামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।

ভুক্তভোগী আলহাজ্ব আবু মুছা সানা ও স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু সেই উদ্যোগ অমান্য করে আদালতে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং আইনানুগ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৬
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।