1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Masum Belal Kaium
  3. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
       
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
শ্যামনগরে জলবায়ু সচেতনতা ক্যাম্পেইন ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত আশাশুনির ফকরাবাদে রাস্তার পাশে বৃহৎ আকৃতির মরা গাছ।।জীবনের ঝুঁকিনিয়ে পথচারীদপর চলাচলে প্রতাপনগরে আশাশুনি উপজেলার সমস্যা চিহ্নিত করণ শীর্ষক মতবিনিময় সভা আশাশুনি উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে জখম,গ্রেফতার আশাশুনিতে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ সাতক্ষীরায় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ব্রাঞ্চ অ্যাসেসমেন্ট অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কথিত নৈরাজ্যের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় সদর উপজেলা জাসাসের মিছিল আশাশুনির প্রতাপনগরে ভাঙ্গন কবলিত ওয়াবদা বেড়িবাঁধ শঙ্কামুক্ত,কাজ শেষ করতে লাগবে সাত দিন ক্ষমতার আড়ালে মোজাফফর মেম্বারের অনৈতিক সাম্রাজ্য: অনুদানের লোভে একাধিক নারী ফাঁদে, পরকীয়া ও চাঁদাবাজির তথ্য-প্রমাণ ফাঁস

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় হরিণচড়া মধ্যচর প্লাবিত, পানিবন্দি ৫০০ পরিবার; ফসল ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিপর্যয়

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

 

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

তিস্তা নদীর আকস্মিক পানি বৃদ্ধিতে লালমনিরহাট সদর উপজেলার হরিণচড়া মধ্যচর এলাকায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের প্রায় ৫০০ পরিবারের দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করেই তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে বাদাম, ধানের বীজতলা, পাটসহ বিভিন্ন ফসলি জমি প্লাবিত হয়। এতে কৃষকদের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনেক কৃষক গবাদিপশু নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছেন। কেউ কেউ উঁচু জায়গায় অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

বন্যার কারণে চরাঞ্চলের অভ্যন্তরীণ সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় হাট-বাজার ও যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য সংগ্রহেও ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এছাড়া স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে না পারায় তাদের লেখাপড়াও ব্যাহত হচ্ছে।

হরিণচড়া মধ্যচরের বাসিন্দারা জানান, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে তিস্তার আকস্মিক বন্যা তাদের জীবন-জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলে। ঘরবাড়ি, ফসল ও গবাদিপশু রক্ষা করতেই তাদের অধিকাংশ সময় ব্যয় করতে হয়। ফলে প্রতি বছরই তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

স্থানীয়দের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য দ্রুত ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে নদীভাঙন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর বাঁধ নির্মাণ এবং টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

তিস্তা নদী এ অঞ্চলের মানুষের কৃষি, জীবিকা ও অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হলেও বর্ষা মৌসুমে নদীর আকস্মিক পানি বৃদ্ধি প্রতিবছরই হাজারো পরিবারকে দুর্ভোগে ফেলে। স্থানীয়দের আশা, দ্রুত সরকারি সহায়তা ও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৬
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।