1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Masum Belal Kaium
  3. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
       
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
শ্যামনগরে জলবায়ু সচেতনতা ক্যাম্পেইন ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত আশাশুনির ফকরাবাদে রাস্তার পাশে বৃহৎ আকৃতির মরা গাছ।।জীবনের ঝুঁকিনিয়ে পথচারীদপর চলাচলে প্রতাপনগরে আশাশুনি উপজেলার সমস্যা চিহ্নিত করণ শীর্ষক মতবিনিময় সভা আশাশুনি উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে জখম,গ্রেফতার আশাশুনিতে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ সাতক্ষীরায় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ব্রাঞ্চ অ্যাসেসমেন্ট অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কথিত নৈরাজ্যের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় সদর উপজেলা জাসাসের মিছিল আশাশুনির প্রতাপনগরে ভাঙ্গন কবলিত ওয়াবদা বেড়িবাঁধ শঙ্কামুক্ত,কাজ শেষ করতে লাগবে সাত দিন ক্ষমতার আড়ালে মোজাফফর মেম্বারের অনৈতিক সাম্রাজ্য: অনুদানের লোভে একাধিক নারী ফাঁদে, পরকীয়া ও চাঁদাবাজির তথ্য-প্রমাণ ফাঁস

সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ বন্ধের দেড় মাস পার, কষ্টে দিন কাটাচ্ছে উপকূলের জেলেরা

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ বন্ধের দেড় মাস পার, কষ্টে দিন কাটাচ্ছে উপকূলের জেলেরা

মোঃ শরিফুল ইসলাম (বুড়িগোয়ালিনী প্রতিনিধি)

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞার দেড় মাস অতিবাহিত হলেও এখনো চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন উপকূলের হাজারো জেলে পরিবার।
জীবিকার প্রধান উৎস বন্ধ থাকায় অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানা গেছে।
বন বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া আহরণ বন্ধ রাখা হয়েছে, যাতে প্রাকৃতিকভাবে কাঁকড়ার উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং বনজ সম্পদ সংরক্ষিত থাকে। তবে দীর্ঘ এই সময়টিতে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা না থাকায় বিপাকে পড়েছেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর, কয়রা ও আশাশুনি উপজেলার উপকূলবর্তী এলাকার জেলেরা।
স্থানীয় জেলে জামাল মোল্লা, আনিসুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, হাসন সরদার জানান, বছরের বেশিরভাগ সময় তারা সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী ও খালে নামতে না পেরে সংসারের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেকেই ধারদেনা করে বাজার করছেন, কেউ কেউ এনজিও থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী এলাকার একাধিক জেলেরা আরো বলেন, “দেড় মাস পার হয়ে গেছে, হাতে কোনো কাজ নেই। সরকারি সহায়তার আশ্বাস পেলেও এখনো অনেকের হাতে পৌঁছেনি।” তাদের দাবি, নিষেধাজ্ঞার সময় অন্তত চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হলে কিছুটা স্বস্তি মিলত।
এদিকে বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া ধরা বন্ধ রাখা হলে ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়বে এবং জেলেরা দীর্ঘমেয়াদে লাভবান হবেন। তবে উপকূলবাসীর দাবি, দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি তাৎক্ষণিক সহায়তাও জরুরি।
সচেতন মহল মনে করছেন, সুন্দরবন রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজনীয় হলেও জেলেদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান, ভিজিএফ বা বিশেষ প্রণোদনা কার্যক্রম চালু না করলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হতে পারে।
নিষেধাজ্ঞার বাকি সময়টুকু কিভাবে পার করবেন—এ চিন্তায় দিন গুনছেন উপকূলের হাজারো জেলে পরিবার। এখন তাদের একটাই প্রত্যাশা, দ্রুত সরকারি সহায়তা ও টেকসই সমাধান।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৬
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।