1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. ashiqsmi2@gmail.com : Hossain Bin Aftab : Hossain Bin Aftab
  3. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Masum Belal Kaium
  4. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
  5. support@wordprees.org : support :
       
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
শ্যামনগরে দেড় কিলোমিটার সড়কে ১,৫০০ তালবীজ রোপণ চাম্পাফুল আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠের অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে তারুণ্যের ঐক্যবদ্ধ উন্নয়ন প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয় আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৪ আশাশুনিতে ইয়াবা সেবনকারী যুবকের কারাদণ্ড শ্যামনগরের পদ্মপুকুর ইউনিয়নে দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন ‎তালায় নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণে যুব অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হার্টে ব্লকজনিত সমস্যায় হাসপাতালে ভর্তি ইমাম হাফেজ হযরত আলী, আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ ‎সাতক্ষীরায় কারিতাসের উদ্যোগে ষান্মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নূরনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি মাসিক শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত

ফার্মাসিস্টের এমবিবিএস পরিচয়ে চিকিৎসা, তদন্তের দাবি

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট শামসুল আলম, দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে এমবিবিএস ডাক্তার পরিচয় দিয়ে ফার্মেসিতে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন পত্রিকায় এই বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর, তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থ গ্রহণের অভিযোগও উঠে আসে।

এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ হারুনুর রশিদ জানান, অভিযোগটি সম্পর্কে তার কিছু জানা নেই এবং কোনো লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কেবলমাত্র এমবিবিএস এবং বিডিএস ডিগ্রিধারীরা ‘ডাক্তার’ পদবী ব্যবহার করতে পারেন।

এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৬ অক্টোবর একজন সাধারণ নাগরিক শাহজাহান আলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তবে অভিযোগ জমা দেওয়ার এক মাস অতিক্রম হলেও সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে দাবি করেন অভিযোগকারী।

শামসুল আলম জানান, তিনি আগে ‘ডাক্তার’ পদবী ব্যবহার করতেন, এখন ‘চিকিৎসক’ হিসেবে পরিচয় দেন এবং তার বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নেই বলে স্বীকার করেন। ১৯৯১ সালে ফার্মাসিস্ট হিসেবে যোগদান করেন এবং পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার মৌখিক অনুমোদন নিয়ে প্রেসক্রিপশনও করেছেন, যদিও কোনো লিখিত প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি।

অভিযোগকারী শাহজাহান আলী বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও শামসুল আলমকে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৬
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।