1. admin@dakkhinerbarta.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
  2. ashiqsmi2@gmail.com : Hossain Bin Aftab : Hossain Bin Aftab
  3. kaiumrajinfo@gmail.com : Abm Kaium Raj : Abm Kaium Raj
  4. nasirhossain01996277@gmail.com : Nasir Hossain : Nasir Hossain
  5. support@wordprees.org : support :
       
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
দুবলার চরে দস্যু আতঙ্কে জিম্মি অর্ধশত জেলে শ্যামনগরে বিশ্ব সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, র‍্যালি ও আলোচনা সভা মুকুলে ভরেছে বাগান, স্বপ্ন দেখছেন শ‍্যামনগরের চাষি সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ বন্ধের দেড় মাস পার, কষ্টে দিন কাটাচ্ছে উপকূলের জেলেরা ৭ই ফেব্রুয়ারী সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিশাল নির্বাচনী জনসভা শ্যামনগরে উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে নূরনগরে রুকনদের নিয়ে জামায়াতে নির্বাচনীয় সভা অনুষ্ঠিত বিরলে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবাগত ইউএনওর সাথে অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ কালিগঞ্জে নলতায় স্ত্রীকে রশি পেঁচিয়ে হত্যার চেষ্টা স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

ফার্মাসিস্টের এমবিবিএস পরিচয়ে চিকিৎসা, তদন্তের দাবি

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট শামসুল আলম, দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে এমবিবিএস ডাক্তার পরিচয় দিয়ে ফার্মেসিতে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন পত্রিকায় এই বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর, তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থ গ্রহণের অভিযোগও উঠে আসে।

এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ হারুনুর রশিদ জানান, অভিযোগটি সম্পর্কে তার কিছু জানা নেই এবং কোনো লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কেবলমাত্র এমবিবিএস এবং বিডিএস ডিগ্রিধারীরা ‘ডাক্তার’ পদবী ব্যবহার করতে পারেন।

এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৬ অক্টোবর একজন সাধারণ নাগরিক শাহজাহান আলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তবে অভিযোগ জমা দেওয়ার এক মাস অতিক্রম হলেও সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে দাবি করেন অভিযোগকারী।

শামসুল আলম জানান, তিনি আগে ‘ডাক্তার’ পদবী ব্যবহার করতেন, এখন ‘চিকিৎসক’ হিসেবে পরিচয় দেন এবং তার বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নেই বলে স্বীকার করেন। ১৯৯১ সালে ফার্মাসিস্ট হিসেবে যোগদান করেন এবং পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার মৌখিক অনুমোদন নিয়ে প্রেসক্রিপশনও করেছেন, যদিও কোনো লিখিত প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি।

অভিযোগকারী শাহজাহান আলী বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও শামসুল আলমকে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © দক্ষিণেরবার্তা ২০২৪
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।